ড্রাগন টাইগার নিয়ম: কার্ডের মান, বাজির ধরন ও পেআউট

ড্রাগন টাইগার নিয়ম: কার্ডের মান, বাজির ধরন ও পেআউট

ড্রাগন টাইগার নিয়ম সহজ: ড্রাগন ও টাইগার, দুই দিকের জন্য একটি করে কার্ড দেওয়া হয়, আর যার কার্ড বড় সে জেতে। এই কার্ড গেমে সাধারণত তিনটি মূল বাজি থাকে, ড্রাগন, টাইগার ও টাই, আর টাই হলে ড্রাগন বা টাইগারের বাজির কী হয় তা না জানলে হিসাব গুলিয়ে যায়। কার্ড গেমের তালিকায় ড্রাগন টাইগারের নাম আছে BGD77-এ।

ড্রাগন টাইগার নিয়ম অনুযায়ী দুই দিকের দুটি কার্ডসহ টেবিল
প্রতিটি রাউন্ডে ড্রাগন টাইগার নিয়ম মেনে দুই দিকে একটি করে কার্ড খোলা হয়।

Quick answer: ড্রাগন ও টাইগারে পেআউট 1:1 · টাই বাজি 8:1 বা 11:1 · ড্রাগন বা টাইগারে তাত্ত্বিক ক্ষতি 3.73%, টাই বাজিতে 10.36% থেকে 32.77% · টাইয়ে মূল বাজির অর্ধেক টাকা যায় (বেশির ভাগ টেবিলে)।

সূচিপত্র

ড্রাগন টাইগার নিয়ম: কীভাবে খেলা হয়

একটি রাউন্ড খুব ছোট। প্রথমে আপনি বাজি ধরেন, তারপর ড্রাগন ও টাইগারের জন্য একটি করে কার্ড খোলা হয়। কার্ড দুটি তুলনা করা হয়, আর বড় কার্ডের দিক জেতে। কোনো বাড়তি কার্ড টানা হয় না, তাই দুটি কার্ড খোলার সঙ্গে সঙ্গেই রাউন্ডের ফল ঠিক হয়ে যায়।

সাধারণত খেলা চলে 8 ডেকের কার্ড দিয়ে; কিছু টেবিলে 6 ডেকও থাকতে পারে। নিচের সংখ্যাগুলো 8 ডেক ধরে হিসাব করা, আর 6 ডেকের তুলনা প্রশ্নোত্তরে আছে।

এটি কার্ডের টেবিল গেম। একই নামে স্লট গেমও আছে, কিন্তু দুটির নিয়ম ও RTP আলাদা, তাই একটির সংখ্যা অন্যটির ওপর বসানো চলে না।

কার্ডের মান ও জয়ী কীভাবে ঠিক হয়

বেশির ভাগ টেবিলে A সবচেয়ে ছোট আর K সবচেয়ে বড়। ক্রম দাঁড়ায় A, 2, 3 থেকে 10, J, Q, K। কার্ডের চিহ্ন, অর্থাৎ হার্ট বা স্পেড, মূল বাজির ফল বদলায় না।

ড্রাগন টাইগার টেবিলে দুই দিকে খোলা দুটি কার্ড ও ফলের স্কোরবোর্ড
কোন কার্ড বড় তা বুঝলেই জয়ী দিক চেনা সহজ হয়।

একটি উদাহরণ নেওয়া যাক। ড্রাগনে খোলা হলো 9, টাইগারে 5। ড্রাগনের কার্ড বড়, তাই ড্রাগন জিতল। আপনি ৳100 ড্রাগনে ধরলে জয়ের অঙ্ক 1:1 হারে ৳100, ফেরত মিলিয়ে মোট ৳200 হাতে আসে। টাইগারে ধরলে ৳100 চলে যায়।

বাজির ধরন ও পেআউট

মূল বাজি তিনটি, আর কিছু টেবিলে চতুর্থ হিসেবে সুটেড টাই থাকে। নিচের সারণিতে প্রতিটির পেআউট দেখানো হলো।

বাজিকখন জেতেপেআউট
ড্রাগনড্রাগনের কার্ড বড় হলে1:1
টাইগারটাইগারের কার্ড বড় হলে1:1
টাইদুই কার্ডের মান সমান হলে8:1 বা 11:1 (টেবিলভেদে)
সুটেড টাইমান ও সুট দুটোই সমান হলে50:1 (যেখানে আছে)

ড্রাগন ও টাইগারকে বলা হয় সমান-সমান বাজি, কারণ জয় মানে ধরা অঙ্কের সমান টাকা পাওয়া। টাই বাজিতে পেআউট অনেক বড়, কিন্তু টাই আসে প্রতি 13 রাউন্ডে একবারের কাছাকাছি। এই বৈসাদৃশ্যই বাজিটিকে আকর্ষণীয় দেখায়।

ড্রাগন টাইগার নিয়মে টাই হলে কী হয়

সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি এখানেই। দুই দিকের কার্ড সমান হলে ড্রাগন বা টাইগারে ধরা বাজি পুরো হারে না। বেশির ভাগ টেবিলে বাজির অর্ধেক টাকা হারে, বাকি অর্ধেক ফেরত আসে। ৳100 ড্রাগনে ধরে টাই হলে ক্ষতি ৳50।

টাই ও সুটেড টাইয়ের ঘরসহ বাজির ছক
টাই হলে মূল বাজির ফল আলাদা, তাই এই ঘরটি আলাদা করে চেনা দরকার।

টাই বাজিতে ধরা থাকলে চিত্রটি উল্টো: ৳100 টাইয়ে ধরে টাই এলে 8:1 টেবিলে ৳800 আর 11:1 টেবিলে ৳1,100 জয়ের অঙ্ক হয়। টাই না এলে পুরো ৳100 যায়।

টাইয়ের এই ব্যবস্থা সব টেবিলে এক নয়, তাই ঠিক কোন নিয়মে খেলছেন তা বাজি ধরার আগে মিলিয়ে নিন।

সুটেড টাইয়ে হুবহু একই কার্ড কেন আসতে পারে

এক ডেকে হার্টের 9 থাকে একটিই। 8 ডেক একসঙ্গে মেশানো থাকলে সেই কার্ড থাকে আটটি, তাই ড্রাগন ও টাইগারে হুবহু একই কার্ড পড়া সম্ভব, আর সুটেড টাই বাজি জেতে কেবল তখনই।

এমন জোড়া হয় 2,912 রকমে। সম্ভাবনা 1.69%, গড়ে প্রায় 59 রাউন্ডে একবার, আর যত টাই আসে তার প্রায় 22.6% সুটেড। ড্রাগন টাইগার নিয়মে সুটেড টাইও একটি টাই, তাই ড্রাগন বা টাইগারে ধরা বাজির অর্ধেক তখনও যায়, আর সাধারণ টাই বাজিও জেতে।

৳100 সুটেড টাইয়ে ধরলে জয়ের অঙ্ক ৳5,000, ফেরত মিলিয়ে ৳5,100। শুনতে বড়, কিন্তু সেই একবারের জন্য গড়ে প্রায় 59 রাউন্ড অপেক্ষা করতে হয়, আর ৳100 করে তাতে মোট বাজি দাঁড়ায় প্রায় ৳5,929। ফারাক প্রায় ৳829, অর্থাৎ অপেক্ষার পুরো সময় ধরলে জয়ের টাকা বাজির খরচ মেটায় না।

11:1 টাই আর সুটেড টাই, দুই ঘরেই ৳100 করে রাখলে তিন রকম ফল হয়। সুটেড টাই এলে দুই বাজিই জেতে, জয়ের অঙ্ক ৳1,100 আর ৳5,000। সাধারণ টাইয়ে শুধু টাইয়ের ঘর জেতে, নিট +৳1,000। বাকি সব রাউন্ডে ৳200 যায়, আর গড়ে প্রতি রাউন্ডে ক্ষতি দাঁড়ায় প্রায় ৳24.34।

একই ৳100-এ তিনটি বাজির তুলনা

একটি রাউন্ডে তিনটি সম্ভাব্য ফল আছে, আর বাজি ভেদে প্রতিটির টাকার অঙ্ক আলাদা। নিচের সারণিতে ৳100 বাজির নিট ফল দেখানো হলো, টাইয়ে ড্রাগনের বাজির অর্ধেক হারা ধরে।

ফলসম্ভাবনাড্রাগনে ৳100টাই 11:1-এ ৳100টাই 8:1-এ ৳100
ড্রাগন জেতে46.27%+৳100−৳100−৳100
টাইগার জেতে46.27%−৳100−৳100−৳100
টাই7.47%−৳50+৳1,100+৳800

ড্রাগনের বাজি প্রায় অর্ধেক রাউন্ডে জেতে, কিন্তু টাই বাজি জেতে মাত্র 7.47% রাউন্ডে। জেতার অঙ্ক বড় বলে টাই বাজিকে লাভজনক মনে হয়, অথচ পুরো হিসাবে তার ক্ষতিই বেশি।

হাউস এজ ও ৳-এর হিসাব

8 ডেকে মোট 416টি কার্ড। কার্ডের জোড়া হতে পারে 416 × 415 = 1,72,640 রকমের, আর তার মধ্যে 12,896 রকমে দুই কার্ডের মান সমান হয়। অর্থাৎ টাইয়ের সম্ভাবনা 7.47%, প্রায় প্রতি 13 রাউন্ডে একবার। বাকি সম্ভাবনা সমানভাবে ভাগ হয়, ড্রাগন ও টাইগার প্রত্যেকে 46.27%।

এই সংখ্যাগুলো থেকে প্রতিটি বাজির তাত্ত্বিক ক্ষতি, অর্থাৎ হাউস এজ, বের করা যায়:

বাজিহাউস এজপ্রতি ৳100 বাজিতে গড় ক্ষতি
ড্রাগন বা টাইগার (টাইয়ে অর্ধেক হারে)3.73%৳3.73
টাই 11:110.36%৳10.36
সুটেড টাই 50:113.98%৳13.98
টাই 8:132.77%৳32.77

8:1 পেআউটে টাই বাজির গড় ক্ষতি ড্রাগনের প্রায় নয় গুণ। এমনকি 11:1 হলেও তা প্রায় তিন গুণ।

টাইয়ের পেআউট এক ধাপ বাড়লে কী বদলায়

এখানকার সব সংখ্যার মধ্যে টাইয়ের পেআউটই খরচ সবচেয়ে বেশি বদলায়। নিচের সারণিতে প্রতি ৳1,000 টাই বাজিতে গড় ক্ষতি দেখানো হলো। 9:1, 10:1 ও 12:1 শুধু তুলনার জন্য হিসাব করা।

টাইয়ের পেআউটপ্রতি ৳1,000 টাই বাজিতে গড় ক্ষতি
8:1৳327.71
9:1৳253.01
10:1৳178.31
11:1৳103.61
12:1৳28.92

প্রতি ধাপে ক্ষতি কমে ৳74.70 করে। কারণটা সরল: পেআউট এক বাড়লে ৳1,000 টাই বাজিতে প্রতিটি টাইয়ে বাড়তি ৳1,000 আসে, আর টাই আসে 7.47% রাউন্ডে। 12:1 হলে টাই বাজির খরচ ড্রাগনের বাজির চেয়েও কম হতো, তবু ক্ষতি থেকে যেত; শূন্যে নামত কেবল 12.39:1-এ। তাই 8:1 আর 11:1 টেবিলের মধ্যে প্রতি ৳1,000 টাই বাজিতে গড় ফারাক প্রায় ৳224।

ড্রাগনের বাজিকে টাই দিয়ে ঢাকলে

ড্রাগন টাইগার নিয়মে টাইয়ে মূল বাজির অর্ধেক যায় বলে কেউ কেউ পাশে ছোট একটি টাই বাজি রাখেন। ড্রাগনে ৳100 আর 11:1 টাইয়ে ৳10, মোট ৳110 ধরলে ফল দাঁড়ায় এরকম:

ফলড্রাগন ৳100টাই ৳10নিট
ড্রাগন জেতে+৳100−৳10+৳90
টাইগার জেতে−৳100−৳10−৳110
টাই−৳50+৳110+৳60

টাইয়ের রাউন্ডে লোকসান লাভে বদলায় ঠিকই, কিন্তু গড়ে প্রতি রাউন্ডে ক্ষতি হয় ৳4.77, যা মোট বাজির 4.34%। শুধু ড্রাগনে ৳100 ধরলে গড় ক্ষতি ছিল ৳3.73। 8:1 টেবিলে একই ভাগে ধরলে গড় ক্ষতি ৳7.01, অর্থাৎ 6.37%। ছোট টাই বাজি টাইয়ের ধাক্কা কমায়, কিন্তু প্রতি রাউন্ডের খরচ বাড়ায়।

৳5,000 বাজিতে গড় ক্ষতি কত দাঁড়ায়

দীর্ঘ সময়ে ড্রাগন বা টাইগারে প্রতি রাউন্ডে মোট বাজির প্রায় 3.73% গড়ে যায়। 50 রাউন্ডের সেশনে তার হিসাব এরকম:

প্রতি রাউন্ডে বাজি50 রাউন্ডে মোট বাজিগড় ক্ষতি
৳50৳2,500প্রায় ৳93
৳100৳5,000প্রায় ৳187
৳200৳10,000প্রায় ৳373

ড্রাগন টাইগার নিয়মে একই সেশনে টাই আসার গড় সংখ্যা প্রায় 3.7টি। বাজির অঙ্ক দ্বিগুণ হলে গড় ক্ষতিও দ্বিগুণ হয়, একই 50 রাউন্ডে ৳100 করে টাই বাজিতে ধরলে মোট বাজি ৳5,000, আর গড় ক্ষতি 11:1 টেবিলে প্রায় ৳518, 8:1 টেবিলে প্রায় ৳1,639।

পরপর একই দিক জিতলে পরের রাউন্ডে কী হয়

চার-পাঁচবার টানা ড্রাগন জিতলে অনেকে ধরে নেন এবার টাইগারের পালা। আগের ফল পরের রাউন্ডের সম্ভাবনা প্রায় বদলায় না: 416টি কার্ড থেকে কয়েকটি বেরিয়ে গেলেও দুই দিকের সম্ভাবনা 46.27%-এর কাছাকাছিই থাকে, আর বাজি বাড়ানো-কমানোর কোনো ধারা হাউস এজ বদলায় না।

লম্বা ধারা আসলে খুব সাধারণ। টাই এলে ধারা ভাঙে ধরলে, 50 রাউন্ডের একটি সেশনে কোনো একদিক অন্তত 5 বার পরপর জেতার সম্ভাবনা প্রায় 70%, আর অন্তত 6 বার পরপর জেতার সম্ভাবনা প্রায় 40%। অথচ ঠিক পরের পাঁচ রাউন্ডেই ড্রাগন টানা জিতবে, এর সম্ভাবনা মাত্র 2.12%। তাই এক সেশনে একটা লম্বা ধারা চোখে পড়াই স্বাভাবিক, আর সেটি দেখে বাজির দিক বা অঙ্ক বদলানোর কোনো কারণ তৈরি হয় না।

ব্যাকারাটের পাশে রাখলে খরচ কত

ড্রাগন টাইগার মূলত ব্যাকারাটের মতো দুই হাতের তুলনার খেলা, তবে আরও ছোট আকারে। ব্যাকারাটে প্রতিটি হাতে দুই বা তিনটি কার্ড আসে, আর তৃতীয় কার্ড টানার আলাদা নিয়ম আছে। ড্রাগন টাইগার নিয়মে প্রতিটি দিক একটি কার্ডেই শেষ। এই সরলতার দাম পড়ে হাউস এজে।

8 ডেকের ব্যাকারাটে ব্যাংকার বাজির হাউস এজ 1.06% (জয়ে 5% কমিশন কাটার পর), প্লেয়ারের 1.24%, আর 8:1 টাইয়ের 14.36%। মোট ৳2,000 বাজিতে গড় ক্ষতি পাশাপাশি রাখলে:

বাজি৳2,000 বাজিতে গড় ক্ষতি
ব্যাকারাট, ব্যাংকার৳21.20
ব্যাকারাট, প্লেয়ার৳24.80
ড্রাগন বা টাইগার৳74.70
ব্যাকারাট, টাই 8:1৳287.20
ড্রাগন টাইগার, টাই 8:1৳655.40

দুই খেলার টাই একই 8:1 দেয়, অথচ ড্রাগন টাইগারে খরচ দ্বিগুণের বেশি। কারণ এখানে টাই কম আসে: ব্যাকারাটে প্রায় 9.5% রাউন্ডে, ড্রাগন টাইগারে 7.47%-এ। ড্রাগনে জিতলে কোনো কমিশন কাটা হয় না, তবু মূল বাজির খরচ ব্যাংকারের প্রায় সাড়ে তিন গুণ।

সাইড বেট আর টেবিলের পাতা দেখার উপায়

ড্রাগন টাইগার নিয়মের তিন মূল বাজির বাইরে কিছু টেবিলে বাড়তি বাজি থাকে, যেমন Big/Small বা Odd/Even। Small মানে A থেকে 6, Big মানে 8 থেকে K, প্রতিটি দিকে ছয়টি মান। যেসব টেবিলে 7 এলে Big ও Small দুটোই হারে, সেখানে 1:1 পেআউটে জেতার সম্ভাবনা 46.15% আর হাউস এজ 7.69%, ড্রাগনের বাজির দ্বিগুণের বেশি। অন্য সাইড বেটের পেআউট সফটওয়্যারভেদে বদলায়, তাই সেগুলোর সংখ্যা এখানে নেই।

সাইড বেটের ঘরসহ ড্রাগন টাইগার টেবিলের বাজির ছক
বাজির আগে সাইড বেটের ঘরগুলো টেবিলের ছকে চিনে নেওয়া ভালো।

নিজের টেবিলের নিয়ম পাতায় এই চারটি জিনিস মিলিয়ে নিন:

  1. টেবিল 6 ডেকের না 8 ডেকের।
  2. টাই হলে ড্রাগন বা টাইগারের বাজির কী হয়।
  3. টাই বাজি 8:1 নাকি 11:1।
  4. সুটেড টাই বা অন্য সাইড বেট আছে কি না।

ব্যাকারাট, Blackjack, Roulette ও Sic Bo-র মতো অন্য টেবিলগুলো আছে লাইভ টেবিল তালিকা পাতায়।

টাই, ডেক আর দুই দিকের বাজির তিনটি প্রশ্ন

6 ডেকের টেবিলে কি সংখ্যা বদলায়?

সামান্য বদলায়। 6 ডেকে টাইয়ের সম্ভাবনা প্রায় 7.40%, আর ড্রাগন বা টাইগারের হাউস এজ প্রায় 3.70%। টাই বাজির ক্ষতি 11:1 পেআউটে প্রায় 11.25% এবং 8:1 পেআউটে প্রায় 33.44%। ডেক কমলে টাই বাজির খরচ একটু বেশি পড়ে।

10 রাউন্ডে একটিও টাই না এলে কি অবাক হওয়ার মতো?

না। 10 রাউন্ডে একবারও টাই না আসার সম্ভাবনা প্রায় 46%, অর্থাৎ প্রায় দুই সেশনের একটিতে এমন হয়। এমনকি 20 রাউন্ড টাইহীন যাওয়ার সম্ভাবনাও প্রায় 21%, মোটামুটি পাঁচবারে একবার। টাই প্রতি রাউন্ডে আসে না, তাই মাঝে মাঝে লম্বা টাইহীন ফাঁক পড়াই স্বাভাবিক।

ড্রাগন ও টাইগার দুই দিকেই বাজি ধরলে কী হয়?

একদিকের জয় অন্যদিকের হারের সঙ্গে কাটাকাটি হয়ে যায়, তাই ড্রাগন বা টাইগার যে-ই জিতুক, নিট ফল শূন্য। টাই এলে দুই বাজিরই অর্ধেক যায়। ৳100 করে মোট ৳200 ধরলে গড় ক্ষতি দাঁড়ায় ৳7.47, বাজির অঙ্ক দ্বিগুণ হয়, অথচ জেতার সুযোগ বাড়ে না।

৳250 সেশনের ভাগফল

ড্রাগন টাইগার নিয়মের হিসাবে ৳250 ÷ ৳25 = 10 রাউন্ড। সেশনের টাকা আর প্রতি রাউন্ডের বাজি দিয়েই খেলার দৈর্ঘ্য আগে থেকে ঠিক হয়ে যায়, আর ড্রাগনে ধরলে এই 10 রাউন্ডে গড় ক্ষতি প্রায় ৳9.34, আর সবগুলো হারলেও ক্ষতি ৳250-এর বেশি হয় না।

এই খেলায় বসার ন্যূনতম বয়স 18 বছর। ৳250-এর সীমা ছুঁলে সেদিনের মতো টেবিল ছেড়ে উঠুন।